grassh0pper’s photostream on Flickr.
My photographs are my poetry . my world is living inside the photographs.
যেদিন মৃত্যু হয়েছিলো আমার নির্বাক শহরে
তোমাদের আদালত বাধা দেয়নি ।
সেদিন ছিলো মঙ্গলবার
শনিবারে সবকিছুই ভালো ছিলো
ভেবেছিলাম শনিবারেই বোধ হয় শনি আসবে
কিন্তু আসে নি।
মৃত্যু এসেছিলো সবার সামনে
সবাই মৃত্যুকে দেখে চোখে পড়েছিলো ঠুলি
কানে হাত চাপা দিয়েছিলো
কেউ মৃত্যু চিৎকার শুনতে চায়নি
কেউ সাক্ষী হতে চায়নি।
সবাই পালিয়েছে আমার মৃত দেহ কে রেখে,
সবাই লুকিয়েছে মায়ের আঁচল তলে
কেউ ভাবেনি আমার ও মা আছে , আমিও তো যেতে চাই আমার মায়ের কাছে।
সবাই আউড়েছে নাজিমের কবিতা আর
শামসুর রহমান , ধারণ করে নি কেউ।
স্তব্ধ ছিলো এ শহর , এ শহরের রাস্তা।
ধন্যবাদ তোমাদের…
তোমার লুকোচুরি তে হয় ভালোবাসা
তোমার ছোয়ায় হয় আমার কবিতা
জল পদ্ম অসম্পুর্ন থেকে যায় তোমার আস্ফালনে
আর দাড়কাক চুপ হয় তোমার হাসির প্রতিদ্ধনি তে।
আমি নির্বাক হই তোমার পথচলায়
আর প্রতিদিন গুনি তোমার শাড়ির আচলের হাওয়ায় আমার দুরন্ত স্বপ্ন
ধন্যবাদ তোমাকে…
একটা গল্প লিখছি মাথার ভেতর ।অনেকদিন ধরেই লিখছি , লিখেই চলেছি । গল্প টা শেষ হচ্ছেনা , অনবরত বেড়েই চলেছে । আগা,পাশ ,তলা সবদিকে বেড়েই চলেছে। অচেতন গল্পটা শেষ হচ্ছেনা , অচেতন ভাবেই বাড়ছে যেন এক অটিস্টিক গল্প । চোখ বড় বড় করে চেয়ে আছে আমার দিকে । গলা টিপে মেরে ফেলতে ও পারছি না।
একটা কবিতা ও লিখছি সেই জন্মের পর থেকে । আমার কোল বালিশের তলায় অবুঝ শিশুর মত ঘুমিয়ে থাকা এক কবিতা , যার লেজ কেটে দিলে ও টিকটিকির মত তর তর করে বেড়ে উঠতে চায়। মাঝে মাঝে ঘুমের মাঝে অনুভব করি তার ডুকরানো কান্না , স্পর্শ পাই তার বুকের ধুকপুকানি। উফফ অনিদ্রা যত বাড়ছে কবিতা টা ও বেড়েই চলেছে।
আমার একটা গান ও আছে , একটা বিপ্লবী গান । ও পাশা পাশি সবার সাথেই হেঁটে বেড়াচ্ছে এখানে , আমার আশপাশ দিয়ে। দেখতে পাই মাঝে মধ্যে আসে আমার কাছে , কোলে বসে আবার সুর টা ঠিক করার আগেই ফাকি দিয়ে যায় । বড়ই ধৈর্য্যহীন এক গান , এক দন্ড বসার নয় । আর বসবেই বা কি , সে যে জন্ম থেকেই বিপ্লবী।
আমি আবার ও লিখছি । এবার বেশ চিন্তা ভাবনা করেই লিখছি । একটু ও এদিক ওদিক করবো না ঠিক করেছি । ঠিক করেছি একদম পাথরে খোদাই করে ফেলবো । একটা অক্ষর ও পালাতে দেবো না , সব যথাস্থানে বসাবো। হুম , বেশ তাহলে এবারে আমি প্রতিক্ষিত এপিটাফ খানাই লিখবো।
শুভ মৃত্যু দিবস…
প্রেমিকেরা দিয়েছিলো সহস্র চুম্বনের দাম
সাথে ছিলো প্রেমিকা গণ ।
আর এক প্রস্থ আব্রুর আড়ালে ইজ্জত নামক এক পদার্থ ,
পার্কে বেড়ানো সঙ্গিনী যার শরীরে মুল্যের ট্যাগ লাগানো।
আর কোনো নিশীথে ঘুরে বেড়ানো নিষিদ্ধ বান্ধবি
আমার চারিদিকের সমস্ত সভ্যগণ ।
আর স্যুট টাই পরা ক্রেতা সমূহ ধীরে ধীরে বেছে নেয় সমস্ত কামের ফ্যাক্টরি
আর ডুপ্লেক্সে হানি নামক স্ত্রি রা লীলায় রত মডার্ন কৃষ্ণের বিছানায়।
কহে মৌলানা ,
তউবা তউবা
উচ্ছনে গিয়েছে সব ইহুদি নাসারা।
গোনা হয় দিন
গোনা হয় রাত
ধীরে ধীরে সব সয় ,সব হয় আল্ট্রা মডার্ন।
ধন্যবাদ হে ভন্ডামী!!!





























